মেহেদী হাসান কিংশুক।।

পক্ষে-বিপক্ষে চলছে অনেক কথা। অনেক আশাহত আর আশাবাদী পরিকল্পনার চুলচেরা বিশ্লেষন । কেমন ছিলাম, কেমন আছি কেমন থাকবো সামনের দিনগুলোয়। আমি বলবো সামনের দিনগুলো ভালো আসবে, সামনের দিনগুলো এগিয়ে যাবো, সামনের দিনে আমরাই হতে পারি এক একটি আইকন, আমরা দেখাতে পারি এগিয়ে যেতে হয় কিভাবে। তাই নির্মাণ করা প্রয়োজন বর্তমানকে । পৃথিবীতে কালে কালে যুগে যুগে ঘটেছে অনেক বিবর্তন, গেছে অনেক অশনিকাল। আজ যে করোনা মহামারী, এটাই নাম বা বৈশিষ্ঠ্য পরিবর্তন করে কখনো হয়েছে যক্ষা, কলেরা, ইবোলা, ডেঙ্গু, ক্যান্সার, এইডস। নূহ (আ:) কে বলা হয় দ্বিতীয় আদম, যিনি সৃষ্টিকর্তার আদেশে অনুসারি ও বিশ্বাসী মানুষদের একটি নৌকায় তুলে তাঁদের বাঁচিয়ে, মূলত পুরো পৃথিবীতে মানুষে ভরিয়ে দিয়েছেন পুনরায়। প্রবল ভূমিকম্পে জনবসতি ধ্বংস হয়েও সেখানে আবার গড়ে ওঠে নতুন আবাসন, আগের চেয়েও ভাল, শক্ত ও সৃজনশীল পরিকাঠামোতে গড়ে ওঠে অট্টালিকা, প্রসাদ বা পরিবেশবান্ধব কুঁড়ে ঘড়। কত বাক বিতন্ডা, রেষারেষি, হানাহানির মধ্যেও মানুষ মানুষকেই ভালবাসতে শেখে, নাই নাই করেও পরিপূর্ণতায় ভরে ওঠে ঘর-গৃহস্থালী, রাজনীতি, সমাজ -ধর্ম-কর্ম। গেল গেল করেও মানুষ পৃথিবীটাকে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে লড়ে যায় চিরন্তন, লড়ে যায় গ্রীন হাউস প্রভাবে বিরুদ্ধে। অতি পরাক্রমশালী শত্রুও বাধ্য হয় এক টেবিলে বসে ভাবতে, কি করে রক্ষা করা যায় বিষু অঞ্চলের বরফ গলার মাত্রা, বা কি করে কমানো যায় জ্বলীয় বাষ্পের পরিমাণ । এসব ভাবতে থাকা হাজর হাজার কালো-সাদা-ফর্সা রঙের মানুষগুলোই নিজেদের উদ্ভাবনী শক্তিকে জাগিয়ে তুলে অসাধ্য সাধন করে নিজের জন্য,দেশের জন্য এবং পৃথিবীর মানুষের জন্য। কিছুই হবে না হবে না করেও- এখনো বেঁচে থাকা মানে সার্থকতা, এখনো টিকে থাকা মানে যোগ্যতা, সফলভাবে এগিয়ে যাওয়া মানে সৃজনশীলতার উদ্ভাবনী শক্তি। সময় থেমে থাকে না, পৃথিবী এগিয়ে চলে শত ঝড়ের মধ্যেও। এ এগিয়ে যাওয়ায় বিশ্ব মানুষেরেই জয় হয়।

আমাদের চারপাশের সবকিছুতেই আশা আর সম্ভাবনার বীজ ছড়ানো রয়েছে, আমাদের নিজেদের মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি আর সক্ষমতা রয়েছে, আমাদের নিজেদের বুঝে ফেলা দুর্বলতাগুলোতেই রয়েছে অমিত শক্তি আর নি:স্বতার মাঝেই রয়েছে কিছু করে দেখানোর অসম্ভব সুন্দর জেদ। মায়ের জঠর থেকে বের হওয়ার পর চিৎকার করে কেঁদে উঠে আমরা জানিয়ে দেই, আমরা সৃষ্ঠির সেরা জীব পৃথিবীতে এসেছি সব মন্দকে বিলীন করে ভালো কিছু সৃষ্টি করতে। মানুষই পেরেছে কলেরা, যক্ষা- ধনুষ্ঠংকার, ইবোলা, ডেঙ্গুর প্রতিষেধক তৈরি করতে, মানুষই পারছে এইডস, ক্যান্সারকে জয় করতে, মানুষই পারবে করোনাকে বিলীন করতে। অস্থিরতার মধ্যেই মানুষই মঙ্গলগ্রহে মাটি-পানির সন্ধান করছে।


মানুষকেই নিতে হবে উদ্যোগ ভালোভাবে, সার্থকভবে বেঁচে থাকার এবং অন্যকে বেচেঁ রাখার জন্য। কিছুই শেষ হয় না, শেষ হয়ে যায় সময়। ‘সময় গেলে সময় পাওয়া যায়না’। তাই আমাদের তরুণ উদ্যোক্তাদেরকে জাগতে হবে, ভাবতে নিজের বুদ্ধি-চিন্তা-বিবেচনা দিয়ে, নিজের চারপাশের পরিবেশ থেকেই উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে নতুন নতুন উদ্যোগ নিতে। বর্তমানের ক্ষতিগ্রস্ত দ্যোগটাকেব জাগাতে হবে, যেমন করে মা তার সন্তানকে জাগায় ঘুম থেকে, যেমন করে পিতা তার সন্তান্তের জন্যে জীবন বাজি রেখে রোজগার করে। তেমনিভাবে নিজের মধ্যের শক্তিটাকে জাগাতে হবে উদ্যোক্তাদেরকে। অন্যরা শুধু সহযোগিতা করতে পারে, যা করার করতে হবে নিজেকেই।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় বি’ইয়া, YBIGoogle.org এর সহায়তায় সারা বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য ক্ষুদ্র পরিসরে অনলাইনের মাধ্যমে সেবা দেয়ার জন্য মে মাসের ১৮ তারিখ থেকেই কিছু কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। বি’ইয়া শুধু পথ দেখাতে পারে, করতে হবে–উদ্যোক্তা আপনাকেই।

আগ্রহী হলে যুক্ত হন আমাদের সাথে।   সবাই মিলে গড়বো দেশ, বিশ্ব দেখবে বাংলাদেশ।

কৃতজ্ঞতা জানাই সকল উদ্যোক্তাকে।

আগ্রহী হলে যুক্ত হন:  ফরমটি পূরণ করুন

বিস্তারিত জন্য যোগাযোগ করুন
০১৯১৭-১৮৪৯১৩, ০১৭১২-৩৮১৬১৮, ০১৭১৬-৮৮৪০৮৩, ০১৭৬২-৬১৬৯৭৯

মন্তব্য করুন