তাহমিনা কবীর: হুনুইন আইন্নেরা আইজ্জ লেখবাম কিশোরগঞ্জের কতা।কততা কিছু যে আছে জানার আইন্নেরা না ফরলে বুজদাইন না। কিশোরগঞ্জ জেলা ঢাকা বিভাগের সর্বশেষে অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা। নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া,গাজিপুর,ময়মনসিংহ ,নেত্রকোনা,সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার মাঝামাঝিতে এ জেলা অবস্থিত ।

আমাদের দেশের লোকসংস্কৃতির আখড়া বলা হয় কিশোরগঞ্জকে।হাওর আর সমতলের সংমিশ্রন এক অনিন্দ্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে ।

লোক সংগীত ,পালাগান, কির্তন,জারী গান, বিয়ের গীত,পুঁথি,নৌকা বাইচের সাথে গান,ভাটিয়ালি গান আমাদের লোকজ ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

ছবিঃ কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত পাগলা মসজিদ

শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ যেখানে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় প্রতি বছর, ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ, এগারো সিন্দুর দুর্গ, ঈশা খাঁর জংগল বাড়ি, জাংগালিয়া জমিদার বাড়ি, দিল্লির আখড়া, বাঙ্গলার প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতির মন্দির, ভৈরভ ব্রীজ, বন্দর উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান এ জেলাকে আরো সমৃদ্ধ করেছে। আর নিকলী বেরিবাধ তো এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়।

অস্কার বিজয়ী সত্যজিত রায় ও তার বাবা ছন্দের যাদুকর সুকুমার রায় এর পৈত্রিক বাড়ি আমাদের কিশোরগঞ্জ জেলায় কটিয়াদী থানায়,এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন,বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ,কবি উপেন্দ্রকিশোর রায় অনেক জগৎ বিখ্যাতদের জন্ম এই জেলায়।ববর্তমান রাষ্ট্রপতি এডভোকেট আব্দুল হামিদের বাড়িও আমাদের কিশোরগঞ্জ।

বর্তমানে অষ্ট্রগ্রাম উপজেলার পনির বিশ্ব খ্যাতি অর্জন করেছে যা আমাদের জেলা ব্রান্ড খাবার হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। এছাড়াও সাইজে বড় হওয়ায় জঙ্গগলবাড়ির লিচুর সুনাম রয়েছে। চেপা শুটকি মানেই আমাদের কিশোরগঞ্জ।পাক্কন পিঠা যাকে নকশী পিঠা বলা এর জুরি আর কোথাও নেই আমাদের কিশোরগঞ্জে। এছাড়াও বনগ্রামের বিন্নি খই এর খ্যাতি ছড়িয়ে আছে দেশ ব্যাপি।

বুজ্জুইন তাইলে কত কিছু আছে আমরার কিশোরগঞ্জে?

মন্তব্য করুন